অবসাদ-এর অকল্পনীয় ঝড় প্রায়ই কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। অবস্থার প্রাচীর সব ঢেকে রেখে দিয়েছে। আমার আমিত্ব সঙ্কটে মাথা ঠুঁকে যাচ্ছে। বিভিন্ন আলাপচারিতা আমায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় গহ্বরে। দুমড়ে-মুচড়ে আমার পেশিশক্তি অসহায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পৃথিবীতে কেউই কাউকে বুঝতে পারেনা,বুঝি।
আমার ছোঁটার রাস্তা দিন দিন ছোট হয়ে আসছে। পথ সংকীর্ণ---আরও সংকীর্ণ হয়ে উঠেছে। ভালো-মন্দ'র বিচার বোঝা সহজ - বিচারে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন, ভীষণ।
নিজে অন্যের দুঃখ হতে কেউ কি চায়? অপরাধী সমতা বজায় রাখে এই পরিস্থিতি। বলবার কেউ নেই, শোনবারও। আমার চাবুক পেছন থেকে আমাকেই আঘাত করে। আমায় আবার ভেঙে দেয়, নষ্ট করে দেয়। লড়াই করার ইচ্ছেটাও মৃতসমান। আমার মানসিক দারিদ্র আমার ভেতরেই লড়ছে। উল্টো পাল্টা বকছে।
অন্তিম কোথায় জানা আছে। কিংবা নেই।
দিনের (রাতের ও) শেষ SMS.. অজুহাত-মিথ্যে-ভালোলাগা-ভালোভাসা কাটানো আরও একটা দিনের শেষ। ভালোবাসা রোমিও-জুলিয়েট এর ও ছিল। আর আমারও আছে! তবে দুধরণে ফারাক আকাশ-পাতাল। আসলে ভালোবাসা অনেকাংশেই বাজেট তথা ব্যক্তি নির্ভর। এটা অবশ্যই আমার ব্যক্তিগত ধারণা। আমি যাকে ভালোবেসেছি - তাকে হারিয়েছি, আবার পেয়েছিও বটে। ভালো সময় যেমন অনেকটা কেটেছে, মন্দ সময়ও তেমনি। অঙ্ক করতে বসলে হয়ত মন্দ'র সংখ্যাই বেশি দাঁড়াবে। আমার সমস্যাই বেশি - সময় দেওয়া - ভালোবাসায়।
বাগ-বিতন্ডা রেগুলার এর গপ্প। বিয়ে করা সংসার টাইপ। রাস্তা খোঁজাও আমারই দায়। কথা বাড়াতে ভালো লাগে না। প্রশ্নের উত্তরই যথেষ্ট। Share করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিশেষত রিলেশন এ। আমি হেরে হিয়েছি সেখানেই। বাক্যচ্চারণ না করতে করতে বলতে চাইলেও বিঁধে যায়। উচ্চারণের ইচ্ছা অনুচ্চারিতই থেকে যায়। একরকম অসহ্য যন্ত্রনা ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেয়ে যায়। যাচ্ছে। নিজের কাছে হেরে যাওয়া - এর অর্থ জীবন অর্ধেক কিংবা তার বেশিই নষ্ট হয়ে যাওয়া। মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়। ফেলে এসেছি যে সময় - যাকে তখন অবহেলা করেছি --- এখন ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় তাদেরই কাছে। তাদের আঁকড়ে ধরতে ইচ্ছে হয়। আমার পরিণতি শেষোবধি কোথায় পৌঁছবে জানা নেই! নিজে হাতে অন্যের জীবন শেষ করলে ক্ষমা পেতে পারব না।